বৃহস্পতিবার, ৩ আগস্ট, ২০১৭

দেখতে চাই চেতনা রাজ পথে - দাবি আদায়ের, নারীর ইজ্জতের মূল্যয়নে, আমার শিশুর নিশ্চত পথচলার, নিশ্চিত জীবনের!!


নাহ---
আর পারছিনা--
আর কতো--
এই কানেযে সইছে না--
এই চোখে আর দেখতে চাইছেনা--
আর একটা শিশুকেও যেনো
এই বরবর্তারর নির্যাতন সহ্য করতে নাহয়!

সহ্যশক্তি হারিয়ে ফেলছি -
এতো দেখন আপনারা,
আপনাদের এতো চেতনা দেখি!
সবই কি ওই ফেইক নিয়মের কর্ম!
কই রাজ পথেতো নামেননা!
প্রতিজ্ঞাও দেখিনা!

আর ঘরে ফিরবোনা--
দাবি আদায়ের আগে আর কিছু শুনবোনা!
আমার সন্তানের চিৎকার কেনো এসমাজের কানে পৌছেনা।
কোনো দুমড়ে পড়া বিবেক চিৎকারে জাগেনা!

লাইক কমেন্টে নয়!
রাজ পথে দেখতে চাই -
ওই অবুঝ শিশুর চিৎকার যেনো সামিল হয়
আমাদের স্লোগানের সাথে!

ফাসি দাও, জনসম্মুখে শীরচ্ছেদ করো,
যেনো আমার পূজার চিৎকারেও ওর চিৎকারকে চিরস্কার করে!

দেখতে চাই চেতনা রাজ পথে -
দাবি আদায়ের,
নারীর ইজ্জতের মূল্যয়নে,
আমার শিশুর নিশ্চত পথচলার,
নিশ্চিত জীবনের!!

দেখবো অপেক্ষায়, দেখা হবেতো রাজ পথে--?

-------তমা

বিকল্প ধারার সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বাড়িতে কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের বৈঠককে ‘গণতন্ত্রের সৌন্দর্য’ আখ্যা দিয়ে এই উদ্যোগকে ইতিবাচক বলছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।


ওই বৈঠক নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “এটা খুব ভালো, গণতন্ত্রের শত ফুল ফুটেছে। এটা তো ভালো; এটাকে আমি বলবো, গণতন্ত্রের শত ফুল ফোটা। এটা তো গণতন্ত্রের বিউটি।
“আমি এটাকে বলবো গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। তবে এ মেরুকরণ কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেটির জন্য অপেক্ষা করতে হবে।”
বি চৌধুরীর বারিধারার বাড়িতে ওই বৈঠকে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
আওয়ামী লীগ ও বিএনপি জোটের বাইরে তৃতীয় জোট গড়ার কথা বলে আসা এই রাজনীতিকদের বৈঠকে সরকারের শরিক দল জাতীয় পার্টির এইচ এম এরশাদের ছোট ভাই ও দলটির কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদেরও অংশ নেন।
সম্ভাব্য রাজনৈতিক জোট গঠনের এই আলোচনা-উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “নির্বাচনে আদর্শগত বিষয়টি মুখ্য নয়, এখানে অ্যালায়েন্সটা কৌশলগত; সময়ের প্রয়োজনে এবং নির্বাচনে জেতার জন্য.. আমি এটাকেই বলি গণতন্ত্রের বিউটি।
“গ্রুপিং, অ্যালায়েন্স এগুলো হতে থাক। মেরুকরণ হচ্ছে, এটি নির্বাচনকে সামনে রেখে হচ্ছে। এটি একটি ভাল দিক।”
এই বৈঠকে নেতিবাচক কিছু না দেখলেও এর পরিণতি দেখার অপেক্ষায় থাকা কাদের বলেন, তারা তো ওখানে ষড়যন্ত্র করছে না, জোট করছে, তাতে অসুবিধা কী?
“তবে এ অ্যালায়েন্সটা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেটিই দেখতে হবে। ওটা দেখতে হলে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।"
এর আগে গত ১৩ জুলাই রাতে রবের উত্তরার বাসায় বি চৌধুরী, কাদের সিদ্দিকী, মান্না, সুব্রত চৌধুরীরা এক হয়েছিলেন, যাতে বাগড়া দিয়েছিল পুলিশ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, “বাধা তো দেওয়া হয়নি; অতি উৎসাহী কেউ করেছে কি না, আমি সেটি জানি না। এ ধরণের কোনো বাধা সরকার বা দলের পক্ষে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে কখনো দেওয়া হয়নি “
২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে বি চৌধুরী, কাদের সিদ্দিকী ও রব এনডিএফ জোট গঠন করে বিএনপির পদাঙ্ক অনুসরণ করে তারাও ওই নির্বাচন বর্জন করেছিলেন।
তবে বর্জনের ঘোষণা দেওয়ার পরও নানা নাটকীয়তার পর সেই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন জাতীয় পার্টির প্রধান এরশাদ। সংসদের প্রধান বিরোধী দলটির তিনজন সদস্য বর্তমান সরকারে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে রয়েছেন।
তবে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলন করে এরশাদ একইসঙ্গে সরকার ও বিরোধী দলে থাকার লজ্জ্বা ঘোঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এর আগেও তিনি মহাজোট ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দেন; বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলকে নিয়ে একটি জোটও গঠন করেছেন।
তবে সে বিষয়ে আওয়ামী লীগ যে মোটেই চিন্তিত নয়, তা স্পষ্ট করেই বললেন ওবায়দুল কাদের, “তারা সরকারে না থাকতে চাইলে চলে যেতে পারেন। তারা স্বেচ্ছায় সরকারে এসেছেন, তারা যেতে চাইলে যাবেন। আমরা এমন কোনো সংকটে পড়িনি যে, তারা চলে গেলে আমাদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে।
“এখন তো কোন মহাজোট নেই, ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে তাদের তিনজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী সরকারে আছেন। এরশাদ সাহেব নিজেও তো প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত, পতাকাবাহী গাড়িতে তিনি যাচ্ছেন।”
তবে এরশাদের জাতীয় পার্টি সরকারের অংশীদারিত্ব ছাড়বে বলে মনে করেন না কাদের।
“আমার মনে হয় না… এমন কোনো ইশারা ইঙ্গিত পাইনি যে, তারা সরকার থেকে চলে যাবেন। আমার তো মনে হচ্ছে না।”
সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের বিষয়ে আওয়ামী লীগের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে সরকার বা দলে কোনো আলোচনা এখনো হয়নি। তাহলে আমি কিভাবে প্রতিক্রিয়া দিব? আলোচনা হলে এরপর দিব।”

রাজধানীর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক লাঞ্ছনাকারীদের শাস্তি দাবিতে চলা আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। আগের দাবির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ওপর নিরাপত্তাকর্মীদের ‘হামলার’ বিচারের দাবি যুক্ত করে অনশন শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা।


আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর নিরাপত্তাকর্মীদের ‘হামলার যথাযথ বিচার না পাওয়ার’ অভিযোগ এনে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে মহাখালীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর ভবনের বন্ধ ফটকের সামনে সাত শিক্ষার্থীর এই ‘আমরণ অনশন’ শুরু হয়।
এই সাত শিক্ষার্থী হলেন- আইন বিভাগের কামরুন্নাহার ডানা, আশিক ইশতিয়াক, শেখ নোমান পারভেজ, সাদিয়া আফরিন প্রেমা, ম্যাথমেটিকস ও ন্যাচারাল সায়েন্স বিভাগের আকাশ আহমেদ, ব্র্যাক বিজনেস স্কুলের ইয়াসিনুর রহমান রনি ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাদ জিয়াউল হাসান।

যার ছত্রছায়ায় কিশোরী ধর্ষণ মামলার আসামি তুফান সরকার বগুড়ায় অপরাধ ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে, সেই বড় ভাই মতিন সরকারকে খুঁজছে পুলিশ।



নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এক মেয়েকে বাড়িকে থেকে তুলে নিয়ে উপর্যুপরি ধর্ষণের পর মা-মেয়েকে পিটিয়ে মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার ঘটনায় তুফানকে গ্রেপ্তারের পর দুই ভাইয়ের কুখ্যাতির কথা এখন মানুষের মুখে মুখে।
ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে কসাই থেকে পরিবহন মালিক বনে যাওয়া যুবলীগ নেতা মতিন এই ধর্ষণ মামলার আসামি না হলেও তার কুখ্যাতিরও কোনো জুড়ি নেই।
তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, হত্যা ও মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১৬ বছর আগের একটি হত্যা মামলায় সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে বগুড়ার আদালত। ২০০১ সালের ওই ঘটনায় উজ্জ্বল নামে এক তরুণকে হত্যা করা হয়।
এই মামলায় মতিনককে গ্রেপ্তারে আগে একাধিকবার পরোয়ানা জারি হলেও তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
বগুড়া সদর থানার ওসি এমদাদ হোসেন বৃহস্পতিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “উজ্জ্বল হত্যা মামলায় মতিন সরকারের বিরুদ্ধে ২০ জুলাই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। আমরা গতকাল সেটা হাতে পেয়েছি।”
তাকে গ্রেপ্তারে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি। শিগগিরই একটা সুখবর পাবেন।”
তবে গত কয়েক দিনে মতিনকে বগুড়া শহরে দেখা যাচ্ছে না বলে বলে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন। মতিন এখন কোথায় কোথায়- বগুড়ায় চলছে সেই আলোচনা।
বুধবার বেলা ১১টায় এবং বিকাল সাড়ে ৫টায় বাড়ি গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। মতিনের ব্যক্তিগত ও ট্রাকমালিক সমিতির অফিস তার বাসাতেই। রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ বা মহড়া ছাড়া তিনি সাধারণত বাড়ির বাইরে যান না।
তবে তার স্ত্রী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, তিনি ব্যবসায়িক কাজে বাইরে আছেন।
কয়েক দিন আগেও সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মতিনের বাড়িতে তরুণ-যুবাদের ভিড় লেগে থাকত। বুধবার বাড়িতে মতিনের স্ত্রী-সন্তান ছাড়া আর কাউকে দেখা যায়নি।
আশপাশের লোকজনও কয়েক দিন ধরে মতিনকে দেখেন না বলে জানিয়েছেন।
শহরবাসীর মুখে মুখে চাপা প্রশ্ন, মতিন কি গা ঢাকা দিয়েছেন? রাজনৈতিক পাড়া বলে পরিচিত শহরের জিরো পয়েন্ট সাতমাথা এলাকায় লোকজন বলাবলি করছে, মতিন ভারতে পালিয়ে গেছেন।
বগুড়ার চকসূত্রাপুর কসাইপট্টির মজিবুর রহমান সরকারের মেজো ছেলে এই মতিন। মজিবুর মাংস ও চামড়া বিক্রি করে জীবিকা চালাতেন। তার এই বড় ছেলে কয়েক বছর আগে রাজনৈতিক নেতাদের হাত করে জেলা ট্রাকমালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও শহর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হন।
এই সূত্রে আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতা ও প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে চলাফেরা করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেন।
আর তার প্রশ্রয়েই তার পথ অনুসরণ করে বেড়ে উঠেছেন তার ছোটভাই তুফান সরকার। এই মতিন ও শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক সামছুদ্দিন শেখ হেলালসহ কয়েকজনের হাত ধরে তুফান নাম লেখান রাজনীতিতে। কয়েক বছর আগে তিনি হন বগুড়া শহর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক।
২০১৩ সালের ২ ডিসেম্বর চকসূত্রাপুর এলাকার যুবদলকর্মী এমরান খুনের পর তুফানের কুখ্যাতি ছড়াতে থাকে। দিনের বেলা খুন হওয়া এমরানের খণ্ডবিখণ্ড লাশ পাওয়া গিয়েছিল। তুফান ওই মামলার আসামি।
এই হত্যাকাণ্ডের পর তুফান দখল, চাঁদাবাজি, জুয়া ও মাদক ব্যবসায় জড়ান বলে এলাকাবাসী ভাষ্য। তারপর তাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। অর্থের সঙ্গে পেয়েছেন রাজনৈতিক মর্যাদাও।
বগুড়ার জ্যেষ্ঠ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মণ্ডল জানান, তুফানের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা ও মারধরসহ ছয়টি মামলা রয়েছে।
এলাকাবাসী বলছে, প্রাণের ভয়ে অনেক ঘটনায় তুফানের বিরুদ্ধে কেউ মামলা করতে সাহস পায় না। সব ঘটনায় মামলা হলে কয়েকশ হয়ে যেত।
এভাবেই একের এক অপরাধে জড়িয়ে পড়া  তুফান সম্প্রতি বগুড়ার এক কিশোরীকে ভালো কলেজে ভর্তির লোভ দেখিয়ে শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক তুফান ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
এরপর তার স্ত্রী আশা ও তার বড় বোন বগুড়া পৌরসভার সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মার্জিয়া হাসান রুমকি দলবল নিয়ে ওই কিশোরী ও তার মাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মারধরসহ মাথা ন্যাড়া করে দেন।
ঘটনার জেরে তুফানের মেজো ভাই মতিনের বিভিন্ন অপরাধের খবরও বেরিয়ে আসে গণমাধ্যমে।
ঘটনার পর শুক্রবার বিকালে তুফানসহ ১০ জনকে আসামি মামলা করেন ওই কিশোরীর মা। মামলার পর বগুড়া শহর শাখার আহ্বায়ক তুফানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।
মামলার আসামি শিমুল ছাড়া সবাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

প্রকাশনা সম্পাদক কবি সাহিনা হোসেন(তমা) নির্বাহী কমিটির সদস্য

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আজ ৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায়
"বঙ্গবন্ধু সাহিত্য পরিষদ" এর মিটিং হয়
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা ও "বঙ্গবন্ধু সাহিত্য পরিষদ"এর পৃষ্ঠপোষক
জনাব মোজাফফর হোসেন পলটু ভাইয়ের বাসায়।
 ১৫ আগসট জাতীয় শোক দিবস পালন,
আলোচনা অনুষ্ঠান ও 'জনক' প্রকাশনা নিয়ে।
মিটিং এ ছিলেন বঙ্গবন্ধু সাহিত্য পরিষদের সভাপতি জনাব মোঃ মশিউর রহমান,
সাধারণ সম্পাদক জনাব আশরাফ হায়দার,
সহ সম্পাদক জনাব সোহেল আহমেদ রোমেল,
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কবি সাহিনা হোসেন,নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ নিরোদি মজুমদার ও মোঃ মিজানুর রহমান।

ইসলামপুরে বন্যার্তদের পাশে এবারও “আমরা ক’জন ফেইসবুক বন্ধু” এর সদস্যরা

জামালপুরের ইসলামপুরে বন্যা কবলিত অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়েছে, ফেইসবুক ভিত্তিক সংগঠন, আমরা কজন ফেইসবুক বন্ধু। সারা দেশের বন্যা পরিস্থিতির...